চায়না থেকে বাংলাদেশে ইমপোর্ট কীভাবে শুরু করবেন

প্রথম অর্ডার দেওয়ার আগে অনেকেই ভয় পান — টাকা মার যাবে না তো, মাল খারাপ আসবে না তো। ধাপগুলো জানা থাকলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

সর্বশেষ আপডেট: 2026-08-01

ধাপ ১ — পণ্য ঠিক করুন

যে পণ্য আপনি নিজে চেনেন, সেটা দিয়েই শুরু করুন। দেশে কত দামে বিক্রি হয় সেটা আগে দেখে নিন, তারপর চায়নার দাম মিলিয়ে দেখুন লাভ থাকে কি না।

আমাদের সাইটে নাম লিখে, ছবি দিয়ে বা লিংক দিয়ে পণ্য খোঁজা যায়। ছবি দিয়ে খোঁজাটা সবচেয়ে সহজ, ইংরেজি লিখতে হয় না।

ধাপ ২ — সাপ্লায়ার যাচাই করুন

একই পণ্য অন্তত তিনটা দোকানে দেখুন। শুধু সবচেয়ে কম দামটা নেবেন না — খুব কম দাম মানে সাধারণত খারাপ মান।

দোকানের বয়স, রিভিউ আর কত অর্ডার হয়েছে সেটা দেখুন। আমরা এই যাচাইটা আপনার হয়ে করে দিই।

ধাপ ৩ — স্যাম্পল আনুন

বড় অর্ডারের আগে এক পিস আনিয়ে হাতে ধরে দেখা সবচেয়ে বুদ্ধিমান কাজ। স্যাম্পলের খরচ বেশি মনে হতে পারে, কিন্তু ভুল মাল ৫০০ পিস আনার চেয়ে অনেক কম।

ধাপ ৪ — পেমেন্ট ও অর্ডার

দাম আর সব খরচ দেখে আপনি রাজি হলে তবেই টাকা দেবেন। আগে কিছু দিতে হয় না। অর্ডার যাওয়ার পর সাপ্লায়ারের গুদাম থেকে আমাদের গুদামে মাল আসে, সেখানে গুনে ও ছবি তুলে আপনাকে দেখানো হয়।

ধাপ ৫ — শিপিং ও ডেলিভারি

লাইন ঠিক হওয়ার পর মাল রওনা দেয়। কাস্টমস ক্লিয়ার হলে ঢাকা বা চট্টগ্রামে ডেলিভারি হয়। পুরো সময় WhatsApp-এ আপডেট পাবেন।

নতুনদের সাধারণ ভুল

  • কার্টনের মাপ না জেনে দাম হিসাব করা
  • স্যাম্পল ছাড়া বড় অর্ডার
  • নকল ব্র্যান্ডের পণ্য আনার চেষ্টা
  • শুধু পণ্যের দাম ধরে লাভ হিসাব করা, শিপিং বাদ দিয়ে

সাধারণ প্রশ্ন

ইংরেজি না জানলে হবে?
হবে। ছবি বা লিংক পাঠালেই যথেষ্ট, আমরা বাংলায় কথা বলি।
কত টাকা দিয়ে শুরু করা যায়?
এক কার্টনের ছোট ট্রায়াল অর্ডার দিয়েও শুরু করা যায়।
মাল খারাপ এলে কী হয়?
গুদামে চেক করার সময় ছবি দেখানো হয়, সমস্যা থাকলে পাঠানোর আগেই ধরা পড়ে।